• ঐতিহ্যবাহী গাইবান্ধা পৌরসভা

    গাইবান্ধা পৌরসভার অতীত ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় বর্তমান অবস্থানে গাইবান্ধা জেলা শহরের গোড়াপত্তন হয় বিগত ১৮৭৫ সালে। এর আগে গাইবান্ধা নামে কোন শহর ছিল না। ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে পাতিলাদহ পরগণার ভবাণীগঞ্জ মৌজায় ৯৩ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে সর্বপ্রথম ১৮৫৮ সালের ২৭ শে আগষ্ট ভবাণীগঞ্জ মহকুমা নামে একটি মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়।

    বিস্তারিত পড়ুন...
  • ৭১'র মক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভ

    Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore fugiat nulla pariatur excepteur sint occaecat cupidatat non proident sunt in culpa

    বিস্তারিত পড়ুন...
  • গাইবান্ধা পৌর পার্ক

    Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore fugiat nulla pariatur excepteur sint occaecat cupidatat non proident sunt in culpa

    বিস্তারিত পড়ুন...
  • শতবর্ষের ঐতিহ্য নিয়ে
    গাইবান্ধা পাবলিক লাইব্রেরী এন্ড ক্লাব

    Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore fugiat nulla pariatur excepteur sint occaecat cupidatat non proident sunt in culpa

    বিস্তারিত পড়ুন...
  • ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাক্ষী
    গাইবান্ধা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

    Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore fugiat nulla pariatur excepteur sint occaecat cupidatat non proident sunt in culpa

    বিস্তারিত পড়ুন...

গাইবান্ধা পৌরসভার ওয়েবসাইট ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির যুগে বিশ্ব এগিয়ে চলেছে দ্রুতগতিতে। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও গাইবান্ধা পৌরসভাকে তথ্য প্রযুক্তির সাথে যুক্ত করে একটি আধুনিক ও সময়োপযোগী পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এজন্য নানা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে আমার সহকর্মীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় একটি ওয়েবসাইট চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। একথা বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, পৌরসভা একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও অতীত ইতিহাস সম্পর্কে তাই পৌরবাসীদের স্বচ্ছ ধারণা থাকা উচিত। আমি গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্বভার নেয়ার পর থেকেই একটি ওয়েবসাইট খোলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি, যাতে সরকার কর্তৃক গৃহীত e-governance এর পদক্ষেপসমূহের সাথে ত্বরিৎগতিতে সম্পর্কিত হওয়া যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গাইবান্ধা পৌরসভার ওয়েবসাইট নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি। পরিকল্পনা মোতাবেক এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য গাইবান্ধাভিত্তিক ওয়েবসাইট নির্মাণ প্রতিষ্ঠান কনসেপ্ট ইনোভেটিভ কম্যুনিকেশন বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় শুরু হয় সাইটটির নির্মাণ কাজ। এক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহযোগিতা ও পরামর্শ আমাদের প্রেরণা ও সাহস যুগিয়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন... »


গাইবান্ধা পৌরসভার ইতিহাস

গাইবান্ধা পৌরসভার অতিত ইতিহাস অত্যন্ত জনশ্রুতি পূর্ণ। বিভিন্ন সুত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ১৮৭৫ খৃষ্টাব্দে বর্তমান অবস্থানে গাইবান্ধা জেলা শহরের গোড়াপত্তন হয়। এর পূর্বে গাইবান্ধা  নামে কোন শহর ছিলনা। এর আগে গাইবান্ধা নামে কোন শহর ছিল না। ৯৩ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে ব্রক্মপুত্র নদীর তীরে পাতিলাদহ পরগনার ভবানীগঞ্জ মৌজায় সর্ব প্রথম ১৮৫৮ খৃষ্টাব্দে ২৭ আগষ্ট ভবানীগঞ্জ মহকুমা নামে একটি মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৭২ খৃষ্টাব্দের  প্রথম ভাগে ব্রক্ষ্রপুত্র নদীর পূর্বপাড় জুড়ে  ব্যাপক নদী ভাঙ্গন শুরু হলে মহকুমা শহরটি জরুরী ভিত্তিতে অন্যত্র স্থানান্তরিত করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এমতাবস্থায় ভবানীগঞ্জ থেকে ১২ কিমি পশ্চিমে ঘাঘট নদীর তীরে এই গাইবান্ধা নামক স্থানে মহকুমা শহরটি ১৮৭৫ খৃষ্টাব্দে স্থানান্তরিত হয়। নতুন স্থানের নামানুসারে তখন থেকেই ভবানীগঞ্জ মহকুমার নাম পরিবর্তন হয়ে গাইবান্ধা মহকুমা হয়। কথিত আছে যে, ৫ হাজার বছর পূর্বে মহাভারত খ্যাত মৎস্য দেশের রাজা বিরাটের রাজধানী ছিল গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানায়। রাজা বিরাটের ৬০ হাজার গাভী ছিল। এই গাভীদের গো-চারণ ভুমি এবং গো-শালা ছিল বর্তমান গাইবান্ধা পৌর এলাকা জুড়ে। সেই গাইবাঁধা এলাকা থেকে স্থানের নামকরন হয়েছে গাইবান্ধা।

বিস্তারিত পড়ুন... »


মাহাবুব আরা বেগম গিনি এম.পি

হুইপ
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে একটি জাতির সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অগ্রগতির অন্যতম নিয়ন্ত্রক অবাধ তথ্য প্রবাহ। উন্নয়নের রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল স্তরকে ডিজিটাল তথ্য সরবরাহের মহাসড়কের সাথে যোগসূত্র স্থাপনে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে জনগণ, সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে তথ্য বাতায়নের মাধ্যমে সেবা পেতে শুরু করেছে। গাইবান্ধা পৌরসভার ওয়েবসাইট সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টার একটি মহৎ প্রকাশ বলে আমি মনে করি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এর মাধ্যমে পৌরসভার সকল কর্মকান্ডে জনগণের সেবা গ্রহণ ও মতামত প্রদানের সুযোগ থাকছে যা বুদ্ধিবৃত্তিক বা গণতন্ত্র চর্চাকে এগিয়ে নিবে এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতামূলক উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পাদনকে ত্বরান্বিত করবে।

অবাধ তথ্য প্রবাহ জনগণের ক্ষমতায়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। তৃণমুল পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর মাঝে তথ্যসেবা পৌঁছে দিয়ে জনসাধারণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা একান্ত প্রয়োজন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া বর্তমান সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। সরকারের এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নের সাথে একমত পোষন করে গাইবান্ধা পৌরসভা নিজস্ব প্রচেষ্টায় একটি ওয়েবসাইট খোলার যে মহৎ উদ্যোগ নিয়েছে আমি তাকে অভিনন্দন জানাই এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। বাংলাদেশের সকল পৌরসভা এ ধরনের উদ্যোগ নিলে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজ সুনিশ্চিত হবে।

মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ

জেলা প্রশাসক
গাইবান্ধা।

মেয়র'র দৃষ্টিভঙ্গি

Nunc hendrerit libero scelerisque pellentesque praesent posuere digsim ipsum vulputate donec anulla cum sociis natoqu penatibus emagnis voluptatem quia volu eptas sit aspernatur aut odit aut fugit, sed quia consequuntur.

Montes nascetur ridiculus mus mauris sedapien ac nunc facilisis bibendum eu quis orci etiam mollis velit et magna dapibus scelerisqueq

মেয়র'র প্রোফাইল

এ্যাড. শাহ্ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন ২০১৫ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত ও ১৪ দল সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম স্পিকার শাহ্ আব্দুল হামিদের নাতী।তার বাবা এ্যাড. জাহাঙ্গীর কবীর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সংসদ সদস্য ছিলেন।

বিস্তারিত পড়ুন...

পৌর ভবন
স্টেশন রোড, গাইবান্ধা-৫৭০০
বাংলাদেশ